পাতা খেয়ে কমান ব্যাথা

পাতা খেয়ে কমান ব্যাথা

লাইফস্টাইল

নিজস্ব প্রতিনিধি:

আমাদের শরীরে ৩.৫ থেকে ৭.২mg/dL মিলিগ্রাম   ইউরিক অ্যাসিড থাকা উচিত। অনেক কারণে আমাদের রক্তের ইউরিক অ্যাসিড মিটার mg/dL মিলিগ্রাম অতিক্রম করে।

সাধারণত, অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে নির্গত হয়। যখন শরীরে ইউরিক অ্যাসিড অতিরিক্ত পরিমাণে তৈরি হয়। তারপরে এটি ইউরিক অ্যাসিড স্ফটিক আকারে হাড়ের জয়েন্টগুলিতে জমা হতে শুরু করে। এর ফলে জয়েন্টে তীব্র ব্যথা হয়। যাকে বাত বা বাতের ব্যথা বলা হয়।

অনেকেই বাতের ব্যথার ওষুধ খেয়ে থাকেন। ব্যথা বাড়লে ওষুধ খেলে কিছুক্ষণের জন্য উপশম পাওয়া যায়। এই ব্যাথা কখনো সারে না। কিন্তু আয়ুর্বেদিক ভেষজ ওষুধের চেয়ে বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে দারুণ কাজ করে। সকালে এই ৫টি পাতা চিবিয়ে খেলে বাতের ব্যথা থেকে কিছুটা মুক্তি মিলবে।

ধনে পাতা
ধনে পাতায় ইউরিক অ্যাসিড কমানোর অনেক গুণ রয়েছে। ধনে পাতা ঔষধি গুণে পরিপূর্ণ। ধনে পাতায় ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, থায়ামিন, ফসফরাস, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে সহ অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। ধনে পাতা খেলে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা এবং ইউরিক অ্যাসিড কমে যায়।

তেজপাতা
তেজপাতা শুধু রান্নাতেই ব্যবহৃত হয় না, এর অনেক ঔষধি গুণও রয়েছে। তেজপাতা রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যা রক্ত থেকে ইউরিক অ্যাসিড পরিষ্কার করে। তেজপাতা চায়ের মতো পান করলে হাঁটুর ব্যথা উপশম হয়।

পুদিনাপাতা
পুদিনা পাতা ঔষধি গুণে পরিপূর্ণ। এটি আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ এবং ফোলেট সমৃদ্ধ। যা রক্ত থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড পরিষ্কার করে। পুদিনা পাতা প্রদাহ বিরোধী। যা রক্তের ময়লা পরিষ্কার করে। পুদিনা পাতা খেলে প্রস্রাব থেকে পিউরিন বের হয়ে যায়। এছাড়াও পুদিনা শরীর থেকে টক্সিন দূর করে।

কারি পাতা
কারি পাতা অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়। কারি পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ইউরিক অ্যাসিড দূর করতে সাহায্য করে। কারি পাতা খেলে রক্তে জমে থাকা নোংরা ইউরিক অ্যাসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। এটি বাতের ব্যথা কমায়।

পান পাতা
পানের অনেক গুণ রয়েছে। পান শুধুমাত্র শখ হিসাবে খাওয়া হয় না। এর অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। ইউরিক অ্যাসিড কমাতে পান দারুন কাজ করে। বাতের ব্যথা হলে পান খেলে উপকার পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *